মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১২

তদন্ত এখনও প্রভাবিত হতে পারে কি

এই প্রথম কোন মন্ত্রী কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করলেন ।
 ৯ এপ্রিল পদত্যাগ করলেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এর মাধ্যমে তাঁর ১৪১ দিনের সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিজীবনের সমাপ্তি হলো।
গতকাল সোমবার পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সমস্ত ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
এ দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের মন্ত্রণালয়ে বর্তায়। আমার স্বল্প সময়ে নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বচ্ছতা, প্রগতিশীলতা আনতে গিয়ে যেভাবে হোঁচট খেয়েছি, এর সকল ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই।’

পদত্যাগ করার পর অনেকেই মন খারাপ করে বলেছেন, ‘দাদা রাজনীতিতে পোড় খাওয়া হলেও প্রশাসন চালাতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।’
তবে গাড়িচালক আজম খানের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। কোথায় আছেন আজম ?
তদন্ত কর্মকর্তারা কি আজম কে ছাড়াই তদন্ত করবেন ?  টাকার অঙ্ক সম্পর্কেও তিন রকম তথ্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন ৩০ লাখ, কেউ বলছেন ৭০ লাখ আবার কারও মতে, আরও বেশি।
সরকার কি এই অর্থের পরিমাণটা জানেন এবং এই টাকা এখন কোথায় ?  তদন্তে যারা আছেন তারা কি জানেন কত টাকা বা এই টাকার উৎস কি বা টাকাগুলো কোথায় ?
অনেকেই মনে করেন, তিনি দায়িত্বে থাকলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। তদন্ত যেন প্রভাবিত না হয় সেই জন্যই পদত্যাগ । তদন্তে যদি প্রমানিত হয় মন্ত্রী অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জরিত নন , তবে কি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ফিরে পাবেন আবার তার মন্ত্রনালয় ? বা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাহেব নিজেই কি আবার ফিরে যাবেন তার মন্ত্রনালয়ে ?
দুর্নীতি মুক্ত হবে কি সকল মন্ত্রনালয় ? এটাই এখন দেখার বিষয় ।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন