মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১২

“ ঘরে থাকলে খুন , বাইরে গেলে গুম ”


“ ঘরে থাকলে খুন , বাইরে গেলে গুম ” ।  এটাকে সার্বিক দিক দিয়ে বিবেচনা করলে বুঝা যায় , দেশের এমনি একটা উক্তি সাবার মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে । এটাকে সার্বিক দিক দিয়ে বিবেচনা করলে বুঝা যায় , আইন শৃঙ্খলার অবস্তা তেমন ভাল নয় । আইন শৃঙ্খলার অবস্তা ভাল থাকার জন্য সরকারের সাথে জনগনের সচেতনতাও অনেকাংশে নির্ভর করে । আমরা সাধারন জনগনের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়া যেমন জরুরী , তেমনি যারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্তে নিয়োজিত তাদেরও আইন ও জনগনের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া জরুরী । রাজনীতির সাথে জরিত যারা , সরকারি বা বিরুধি দল যাই হোক না কেন তাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, আইনকে আইনের গতিতে চলতে দেওয়া এটা তাদের নৈতিক দায়িত্ব । কিন্তু বাস্তব চিত্র ঠিক তার উল্টো ।

( ছবিটি -- সংগৃহীত)
‘ঘরে খুন’  নিয়ে যে বহুল আলোচিত বিষয়টি চলে আসছে , তা হল সাগর - রুনি হত্যাকাণ্ড । আশ্চর্যের বিষয় , প্রায় দুই মাস পর কোর্টের কাছে পুলিশের একটি সংস্তা নিজেদের অক্ষমতার কথা অকপটে স্বীকার করলে কোর্ট সেই তদন্তের ভার দিয়েছে RAB  এর নিকট । RAB  তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রয়োজন হল ভিসেরা রিপোর্টের । পুলিশের কি এই বিষয়টির প্রয়োজন হয় নাই । এখন আবার নতুন করে ময়না তদন্ত । কথায় বলে ‘ মরারে মারস ক্যান , শালার পুতে লরে ক্যান’ । সাগর  রুনি নিয়ে সাংবাদিকরা যতই লিখালিখি বা আন্দোলন করছেন , ব্যাপারটি ততই যেন পিছিয়ে যাচ্ছে । সার্বিক অবস্তার প্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে , পুলিশ যেন এই সব কাজের জন্য যোগ্য নয় । পুলিশ কি শুধু Law & Order এর নামে পারে রাজপথে লাঠি চালাতে আর থানায় বসে অর্থ উপার্জন করতে । পারে শুধু সাধারন জনগণকে হয়রানি করতে ।

‘বাইরে গেলে গুম’ , এই ব্যাপারটি আমি ঠিক বুঝি না । কাওকে পাওয়া না গেলে তাকে যদি গুম বলা হয় , তাহলে এটা একটা নতুন সংস্করণ বলা যায় অপরাধীদের বা রাজনৈতিক পরিভাষায় । ইতিমধ্যে অনেককেই পাওয়া যাচ্ছে না । হারিয়ে যাওয়া ব্যাক্তির মধ্যে কিছু লোকের লাশ পাওয়া গেলেও অনেকেরেই লাশও পাওয়া যায় নাই । যাদের কোন হদিস পাওয়া যায় নাই , তাদের ব্যাপারে আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য স্পষ্ট নয় । তেমনি একজন ইলিয়াস আলী । তিনি কোথায় আছেন , কেমন আছেন, কারাই বা তাকে নিয়ে গিয়ে উধাও হয়ে গেল , এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোন ধারনা আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আছে বলে মনে হচ্ছে না । এরকম অনেককেই পাওয়া যাচ্ছে না ।
আমরা কি তা হলে নিরাপদ না । যদি বলি আমরা আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আমাদের নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত মনে করছি না । তা হলে কি খুব ভুল বলা হবে ।
এদিকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলির সদস্যদের লাগামহীন বক্তব্যে সাধারন জনগনের জীবন উষটাগত । আমরা কি তাহলে সকল রাজনৈতিক দলগুলির এবং প্রশাসনের খামখেয়ালির শিকার । আমরা কি বলতে পারি আমাদের ন্যায্য অধিকারের কথা ।

গনতন্ত্রের ষরযন্ত্রে জীবন উষটাগত,
ধন নাই মান নাই সবার মাথা নত ।
যাচ্ছে সময় চলছে জীবন,
নতুন দিনের হছে বপন ।
পথিকরা সব পথ হারাচ্ছে ,
গনতন্ত্রের ষরযন্ত্রে ।

মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১২

তদন্ত এখনও প্রভাবিত হতে পারে কি

এই প্রথম কোন মন্ত্রী কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করলেন ।
 ৯ এপ্রিল পদত্যাগ করলেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এর মাধ্যমে তাঁর ১৪১ দিনের সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিজীবনের সমাপ্তি হলো।
গতকাল সোমবার পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সমস্ত ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
এ দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের মন্ত্রণালয়ে বর্তায়। আমার স্বল্প সময়ে নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বচ্ছতা, প্রগতিশীলতা আনতে গিয়ে যেভাবে হোঁচট খেয়েছি, এর সকল ব্যর্থতার দায়ভার কেবল আমারই।’

পদত্যাগ করার পর অনেকেই মন খারাপ করে বলেছেন, ‘দাদা রাজনীতিতে পোড় খাওয়া হলেও প্রশাসন চালাতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।’
তবে গাড়িচালক আজম খানের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। কোথায় আছেন আজম ?
তদন্ত কর্মকর্তারা কি আজম কে ছাড়াই তদন্ত করবেন ?  টাকার অঙ্ক সম্পর্কেও তিন রকম তথ্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন ৩০ লাখ, কেউ বলছেন ৭০ লাখ আবার কারও মতে, আরও বেশি।
সরকার কি এই অর্থের পরিমাণটা জানেন এবং এই টাকা এখন কোথায় ?  তদন্তে যারা আছেন তারা কি জানেন কত টাকা বা এই টাকার উৎস কি বা টাকাগুলো কোথায় ?
অনেকেই মনে করেন, তিনি দায়িত্বে থাকলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। তদন্ত যেন প্রভাবিত না হয় সেই জন্যই পদত্যাগ । তদন্তে যদি প্রমানিত হয় মন্ত্রী অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জরিত নন , তবে কি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ফিরে পাবেন আবার তার মন্ত্রনালয় ? বা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাহেব নিজেই কি আবার ফিরে যাবেন তার মন্ত্রনালয়ে ?
দুর্নীতি মুক্ত হবে কি সকল মন্ত্রনালয় ? এটাই এখন দেখার বিষয় ।  

শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১২

বিপুল অঙ্কের টাকাসহ রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক, রেলওয়ের জিএম ইউসুফ আলী মৃধা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট এনামুল হক টাকা সহ এত রাতে কেন জিগাতলার দিকে যেতে চাইলেন , আর ওমর ফারুকের গাড়িচালক আলী আজম কেনই বা আকস্মিকভাবে গাড়িটি বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তর পিলখানায় ঢুকিয়ে দেন ও  গাড়িতে অবৈধ টাকা আছে বলে তিনি চিত্কার শুরু করলেন তা নিয়ে পুলিশ বা মন্ত্রনালয়ের কেও কোন ব্যাখ্যা দিচ্ছেন না । এপিএস ওমর ফারুক ও গাড়িচালক আলী আজম কোথায় আছেন সে ব্যাপারে প্রশাসনের গা ছাড়া বক্তব্যে সাধারন জনগনের মনে অনেক প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে ।
মাননীয় মন্ত্রী নিজেও ব্যেপারটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন । 
পুলিশ প্রশাসন চুপ কেন ? তারা অভিযোগ খুজছেন কেন ? সকল মিডিয়ার বক্তব্য কি মিথ্যা ? গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ধারাকে ভিত্তি মনে করে  কি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে পুলিশ তদন্ত করতে পারে না ? 




সব প্রশ্নের উত্তর একটাই __ দুর্নীতি ।

মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২

Bangla Animal - Welcome

Hi, This is Bangla animal. Welcome every one to share my Bangladeshi animal.
We will try to collect the all animal information of Bangladesh. We are not doing any bad idea to implement in this site. We have created to refresh your mind and inform you about our animals if you are attached with Bangla animal.
Thanks
Site admin