একত্ববাদে বিশ্বাসী যে , সেই আস্তিক । আল্লাহ্ ও তার নবী রাসুলদের প্রতি যার বিশ্বাস সেই আস্তিক ।
ইসলামের ভাষায় আল্লাহ্ ও তার প্রেরিত শেষ নবী হযরত মোহাম্মাদ সঃ এর প্রতি যার বিশ্বাস , আহকাম-আরকান যে মেনে চলে সেই প্রকৃত মুসলমান । যাকে বলা যায় আস্তিক ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যে আস্তিক- নাস্তিকের কথা বলছে তা আমি বুঝতে পারছি না ।
জামাত- শিবির কি আস্তিক- নাস্তিক নির্ধারণের কোন মাপকাঠি নিয়ে বসে আছে ।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে , জামাত- শিবির ৭১ এ যে কার্যকলাপ করেছে সেটা কোন আস্তিকের কাজ ।
যদি তারা আস্তিক হয় তাহলে এখন কেন তারা গাড়ি পুড়ছে, ভাংচুর করছে সব , আহত করছে পুলিস সহ সাধারন জনগণকে ।
জান- মালের ক্ষতি করছে এ রাষ্ট্রের ।
ইসলামে বলে , তুমি শ্রদ্ধা কর তোমার রাষ্ট্রের আইনকে , শ্রদ্ধা কর রাষ্ট্র ব্যাবস্থাকে, রক্ষা কর রাষ্ট্রের সকল স্থাপনাকে,
শ্রদ্ধা কর তোমার ভাষাকে, শ্রদ্ধা কর তোমার প্রতিবেশী সহ সকল মানুষকে, শ্রদ্ধা কর অন্য ধর্মের অনুসারীদের ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যা করছে তার সংগে ইসলাম ধর্মের কোন মিল খুজে পাচ্ছি না ।
জামাত- শিবির আস্তিক কি নাস্তিক সেই প্রশ্নে যাব না, তবে এটা বলতে পারি জামাত- শিবির ইসলাম মানে না ।
জামাত- শিবির যে ইসলামের কথা বলে, সে ইসলাম আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ সঃ না ।
বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
জামাত- শিবির কি আস্তিক- নাস্তিক নির্ধারণের কোন মাপকাঠি
আস্তিক বা নাস্তিক এই প্রশ্নটি এখন সকলের ।
আমি ও আপনি আস্তিক কি নাস্তিক তার সার্টিফিকেট নিতে হবে জামাত- শিবিরের কাছ থেকে ।
জামাত- শিবিরের এই দাবিকে দেশের জনগন ও সরকার কিভাবে নিচ্ছে তা আমি জানি না ।
তবে এটা বলতে পারি ইসলাম ধর্মে এ দায়িত্ব কাউকেই দেওয়া হয় নাই ।
একত্ববাদে বিশ্বাসী যে , সেই আস্তিক । আল্লাহ্ ও তার নবী রাসুলদের প্রতি যার বিশ্বাস সেই আস্তিক ।
ইসলামের ভাষায় আল্লাহ্ ও তার প্রেরিত শেষ নবী হযরত মোহাম্মাদ সঃ এর প্রতি যার বিশ্বাস , আহকাম-আরকান যে মেনে চলে সেই প্রকৃত মুসলমান । যাকে বলা যায় আস্তিক ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যে আস্তিক- নাস্তিকের কথা বলছে তা আমি বুঝতে পারছি না ।
জামাত- শিবির কি আস্তিক- নাস্তিক নির্ধারণের কোন মাপকাঠি নিয়ে বসে আছে ।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে , জামাত- শিবির ৭১ এ যে কার্যকলাপ করেছে সেটা কোন আস্তিকের কাজ ।
যদি তারা আস্তিক হয় তাহলে এখন কেন তারা গাড়ি পুড়ছে, ভাংচুর করছে সব , আহত করছে পুলিস সহ সাধারন জনগণকে ।
জান- মালের ক্ষতি করছে এ রাষ্ট্রের ।
ইসলামে বলে , তুমি শ্রদ্ধা কর তোমার রাষ্ট্রের আইনকে , শ্রদ্ধা কর রাষ্ট্র ব্যাবস্থাকে, রক্ষা কর রাষ্ট্রের সকল স্থাপনাকে,
শ্রদ্ধা কর তোমার ভাষাকে, শ্রদ্ধা কর তোমার প্রতিবেশী সহ সকল মানুষকে, শ্রদ্ধা কর অন্য ধর্মের অনুসারীদের ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যা করছে তার সংগে ইসলাম ধর্মের কোন মিল খুজে পাচ্ছি না ।
জামাত- শিবির আস্তিক কি নাস্তিক সেই প্রশ্নে যাব না, তবে এটা বলতে পারি জামাত- শিবির ইসলাম মানে না ।
জামাত- শিবির যে ইসলামের কথা বলে, সে ইসলাম আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ সঃ না ।
একত্ববাদে বিশ্বাসী যে , সেই আস্তিক । আল্লাহ্ ও তার নবী রাসুলদের প্রতি যার বিশ্বাস সেই আস্তিক ।
ইসলামের ভাষায় আল্লাহ্ ও তার প্রেরিত শেষ নবী হযরত মোহাম্মাদ সঃ এর প্রতি যার বিশ্বাস , আহকাম-আরকান যে মেনে চলে সেই প্রকৃত মুসলমান । যাকে বলা যায় আস্তিক ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যে আস্তিক- নাস্তিকের কথা বলছে তা আমি বুঝতে পারছি না ।
জামাত- শিবির কি আস্তিক- নাস্তিক নির্ধারণের কোন মাপকাঠি নিয়ে বসে আছে ।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে , জামাত- শিবির ৭১ এ যে কার্যকলাপ করেছে সেটা কোন আস্তিকের কাজ ।
যদি তারা আস্তিক হয় তাহলে এখন কেন তারা গাড়ি পুড়ছে, ভাংচুর করছে সব , আহত করছে পুলিস সহ সাধারন জনগণকে ।
জান- মালের ক্ষতি করছে এ রাষ্ট্রের ।
ইসলামে বলে , তুমি শ্রদ্ধা কর তোমার রাষ্ট্রের আইনকে , শ্রদ্ধা কর রাষ্ট্র ব্যাবস্থাকে, রক্ষা কর রাষ্ট্রের সকল স্থাপনাকে,
শ্রদ্ধা কর তোমার ভাষাকে, শ্রদ্ধা কর তোমার প্রতিবেশী সহ সকল মানুষকে, শ্রদ্ধা কর অন্য ধর্মের অনুসারীদের ।
কিন্তূ জামাত- শিবির যা করছে তার সংগে ইসলাম ধর্মের কোন মিল খুজে পাচ্ছি না ।
জামাত- শিবির আস্তিক কি নাস্তিক সেই প্রশ্নে যাব না, তবে এটা বলতে পারি জামাত- শিবির ইসলাম মানে না ।
জামাত- শিবির যে ইসলামের কথা বলে, সে ইসলাম আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ সঃ না ।
মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
যদি ইসলাম এর ক্ষতি না হয়
মসজিদে আগুন দিলে যদি ইসলাম এর ক্ষতি না হয় ।
মসজিদে ভাংচুর করলে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
খুন , ধর্ষণ, লুট ও অগ্নিসংযোগ করলে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
মসজিদে বসে একজন মুসলমানকে খুন করার পরিকল্পনায় যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
মসজিদে গ্রেনেড নিয়ে গেলে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
মসজিদে বসে অন্য মুসলমানকে গালাগালি করলে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
মসজিদের ভিতরে ইমাম ও মুসুল্লি পিটালে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
মসজিদের ভিতরে জুতা নিয়ে প্রবেশ করলে যদি মসজিদের ও ইসলামের পবিত্রতা নষ্ট না হয় ।
মসজিদে বসে অন্য মুসলিমকে কাফের বা নাস্তিক বললে যদি ইসলামের ক্ষতি না হয় ।
তবে জামাত- শিবিরকে নিষিদ্ধ করে ও ওদের এই দেশ থেকে বিতারিত করলেও ইসলামের কোন ক্ষতি হবে না ।
জামায়াত ইসলামের ঠিকাদারি নিয়েছে
১৯৪১ সালে পাঠানকোটে আবুল আ’লা মওদুদী জামায়াতে ইসলামী নামে ‘অরাজনৈতিক’ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
কিছুদিন পর দেখা গেল তিনি রাজনীতিতে নাক গলাচ্ছেন। পাকিস্তান নিয়ে তখন যে আন্দোলন চলছিল তাকে তিনি উল্লেখ করেন ‘আহাম্মকের বেহেশ্ত’ এবং ‘মুসলমানদের কাফেরানা রাষ্ট্র’ হিসেবে। হিন্দু জাতীয়তাবাদ তার ভাষায় যেমন ‘লানত’, মুসলিম জাতীয়তাবাদও তাই। মুসলিম লীগ সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামী কি ইন্তেখাবী…গ্রন্থে মওদুদী বলেছিলেন, ওরা পরিবেশকে পায়খানার চেয়েও খারাপ করে ফেলেছে। জিন্নাহর সবচেয়ে বড় সমালোচক ছিলেন মওদুদী।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে মওদুদী ‘কাফেরদের রাষ্ট্র’ পাকিস্তানের লাহোরে এসে ডেরা বাঁধেন এবং ঘোষণা করেন, পাকিস্তান হলো ‘খোদাদাদ’ বা আল্লাহর দান। ভারতে প্রকাশিত তার আগের বইগুলো যখন পাকিস্তানে ছাপা হয় তখন জিন্নাহ, পাকিস্তান, মুসলিম লীগ সম্পর্কে যেসব সমালোচনা ছিল সেগুলো ছেঁটে ফেলেন। তারপর তিনি স্বভাব অনুযায়ী রাজনীতিতে নাক গলাতে লাগলেন। ১৯৫৩ সালে পাঞ্জাবে তিনি কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা শুরু করলেন। মওদুদীকে গ্রেফতার করে বিচার হলো এবং ফাঁসির আদেশ দেয়া হলো। পরে সৌদি আরবের হস্তক্ষেপে তার ফাঁসির দ- রদ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি-জামায়াত সম্পর্কের উন্নতি হতে থাকে ।
সৌদি বাদশাহ ফয়সাল মওদুদীকে টাকা দিতে লাগলেন, মওদুদী প্রায় প্রতিদিন ফয়সালের প্রশংসা করতে লাগলেন। এভাবে জামায়াতের সঙ্গে ওহাবী ইসলামের যোগাযোগ হলো। সৌদি প্রতিষ্ঠান রাবেতার মাধ্যমে জামায়াত টাকা পায় বলে অনুমিত। এ টাকায়ই বাদশাহ ফাহাদ, ফয়সাল ইত্যাদি নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়। আর এসব থেকে মুনাফা সাদা টাকায় পরিণত হয়। সেই কারণে জামায়াতের টাকার কোন অভাব নেই। কল্পনা করা যায়, মীর কাশেম আলী ২৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করছেন শুধু লবিস্ট নিয়োগে!
১৯৭১-এর পর পাকিস্তানী জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ আছে এখানকার জামায়াতের, তবে তারা মওদুদী দর্শনের পুরোটা মানে না। এখানে মওদুদীবাদ সংশোধন করেছেন গোলাম আযম ও জামায়াত নেতৃত্ব। এর কারণ নিছক সুবিধাবাদ, অন্যকিছু নয়।
মওদুদী ইসলাম সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জামায়াতী ছাড়া অন্য কোন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের পক্ষে তা মেনে নেয়া কষ্টকর। কারণ ইসলাম হচ্ছে ‘সিরাতুল মোস্তাকিম।’ এই সহজ পথটিকে জামায়াতীরা কণ্টকাকীর্ণ করে তুলেছে। ইসলাম প্রসঙ্গ আনার কারণ আছে। কারণ জামায়াত ইসলামের নামেই রাজনীতি করে। তারা নিয়ত বলে, ইসলামের ঠিকাদারি তারাই নিয়েছে এবং মানুষকে মুসলমান বানাবার ঠিকাদারিও তাদের। আর এ কাজটি সহজ করার জন্য ক্ষমতায় যাওয়া দরকার।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে মওদুদী ‘কাফেরদের রাষ্ট্র’ পাকিস্তানের লাহোরে এসে ডেরা বাঁধেন এবং ঘোষণা করেন, পাকিস্তান হলো ‘খোদাদাদ’ বা আল্লাহর দান। ভারতে প্রকাশিত তার আগের বইগুলো যখন পাকিস্তানে ছাপা হয় তখন জিন্নাহ, পাকিস্তান, মুসলিম লীগ সম্পর্কে যেসব সমালোচনা ছিল সেগুলো ছেঁটে ফেলেন। তারপর তিনি স্বভাব অনুযায়ী রাজনীতিতে নাক গলাতে লাগলেন। ১৯৫৩ সালে পাঞ্জাবে তিনি কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা শুরু করলেন। মওদুদীকে গ্রেফতার করে বিচার হলো এবং ফাঁসির আদেশ দেয়া হলো। পরে সৌদি আরবের হস্তক্ষেপে তার ফাঁসির দ- রদ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি-জামায়াত সম্পর্কের উন্নতি হতে থাকে ।
সৌদি বাদশাহ ফয়সাল মওদুদীকে টাকা দিতে লাগলেন, মওদুদী প্রায় প্রতিদিন ফয়সালের প্রশংসা করতে লাগলেন। এভাবে জামায়াতের সঙ্গে ওহাবী ইসলামের যোগাযোগ হলো। সৌদি প্রতিষ্ঠান রাবেতার মাধ্যমে জামায়াত টাকা পায় বলে অনুমিত। এ টাকায়ই বাদশাহ ফাহাদ, ফয়সাল ইত্যাদি নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়। আর এসব থেকে মুনাফা সাদা টাকায় পরিণত হয়। সেই কারণে জামায়াতের টাকার কোন অভাব নেই। কল্পনা করা যায়, মীর কাশেম আলী ২৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করছেন শুধু লবিস্ট নিয়োগে!
১৯৭১-এর পর পাকিস্তানী জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ আছে এখানকার জামায়াতের, তবে তারা মওদুদী দর্শনের পুরোটা মানে না। এখানে মওদুদীবাদ সংশোধন করেছেন গোলাম আযম ও জামায়াত নেতৃত্ব। এর কারণ নিছক সুবিধাবাদ, অন্যকিছু নয়।
মওদুদী ইসলাম সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জামায়াতী ছাড়া অন্য কোন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের পক্ষে তা মেনে নেয়া কষ্টকর। কারণ ইসলাম হচ্ছে ‘সিরাতুল মোস্তাকিম।’ এই সহজ পথটিকে জামায়াতীরা কণ্টকাকীর্ণ করে তুলেছে। ইসলাম প্রসঙ্গ আনার কারণ আছে। কারণ জামায়াত ইসলামের নামেই রাজনীতি করে। তারা নিয়ত বলে, ইসলামের ঠিকাদারি তারাই নিয়েছে এবং মানুষকে মুসলমান বানাবার ঠিকাদারিও তাদের। আর এ কাজটি সহজ করার জন্য ক্ষমতায় যাওয়া দরকার।
"ওয়ালাইকুমসালাম"
আবদুল হামিদ খান ভাসানী বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক ।
যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ।
দেশের মানুষের কাছে 'মজলুম জননেতা' হিসাবেসমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম।
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশীরভাগ সময় মাওপন্থী কম্যুনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
তাঁর অনুসারীদের অনেকে এজন্য তাঁকে "লাল মাওলানা " নামেও ডাকতেন।
তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো।
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের 'ওয়ালাইকুমসালাম' বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।
যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ।
দেশের মানুষের কাছে 'মজলুম জননেতা' হিসাবেসমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম।
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশীরভাগ সময় মাওপন্থী কম্যুনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
তাঁর অনুসারীদের অনেকে এজন্য তাঁকে "লাল মাওলানা " নামেও ডাকতেন।
তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো।
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের 'ওয়ালাইকুমসালাম' বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।
জামায়াত-শিবিরের অর্থায়ন-উৎসগুলোকে বর্জন করি
আসুন, জামায়াত-শিবিরের অর্থায়ন-উৎসগুলোকে বর্জন করি।
১. সাংস্কৃতিক সংগঠন:
ক. সাহিত্য পরিষদ:
বাংলা সাহিত্য পরিষদ, পল্টন সাহিত্য পরিষদ, চত্বর সাহিত্য পরিষদ, কিশোর কলম সাহিত্য পরিষদ, ফুলকুঁড়ি সাহিত্য পরিষদ, নতুন কলম সাহিত্য পরিষদ, আল হেরা সাহিত্য পরিষদ, সংগ্রাম সাহিত্য পরিষদ, ইসলামী সাহিত্য পরিষদ, কানামাছি সাহিত্য পরিষদ, অনুশীলন সাহিত্য পরিষদ, স্পন্দন সাহিত্য পরিষদ,
খ. সাহিত্য সংসদ:
উচ্ছ্বাস সাহিত্য সংসদ, মাস্তুল সাহিত্য সংসদ, কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য সংসদ,
গ. সাহিত্য একাডেমী:
শীলন সাহিত্য একাডেমী
ঘ. একাডেমী:
মৃত্তিকা একাডেমী, দাবানল একাডেমী
ঙ. সাংস্কৃতিক পরিষদ:
স্বদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ, ফররুখ পরিষদ
চ. সংসদ
সম্মিলিত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংসদ, কবি সংসদ বাংলাদেশ, মওদুদী রিসার্চ সংসদ,
চ. ফাউন্ডেশন:
প্রতিভা ফাউন্ডেশন, শহীদ মালেক ফাউন্ডেশন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন,
ছ. বিবিধ:
সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, পারফর্মিং আর্ট সেন্টার, বিপরীত উচ্চারণ, সৃজন চিন্তন, হিলফুল ফুজুল, সিএনসি, উত্সঙ্গ, বাংলাদেশ সাহিত্য কেন্দ্র নামক ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী (বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুকরণে)
২. প্রকাশনী:
আধুনিক প্রকাশনী, কিশোর কণ্ঠ প্রকাশনী, ফুলকুঁড়ি প্রকাশনী, আল্পনা প্রকাশনী, আল কোরআন প্রকাশনী,
প্রীতি প্রকাশন, সাজ প্রকাশন, সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স, মিজান পাবলিকেশন্স, মদিনা পাবলিকেশন্স, গণিত ফাউন্ডেশন, প্রফেসর’স, কারেন্ট নিউজ, প্ররফেসরস গাইড,সাহিত্যকাল, নবাঙ্কুর, সাহিত্যশিল্প, শিল্পকোণ, আযান, অনুশীলন, ফুলকলি, দিগন্ত, পাঞ্জেরী, Youth wave, পৃথিবী, ইষ্টিকুটুম, সৌরভ
৩. কোচিং সেন্টার:
রেটিনা, ফোকাস, প্রবাহ, কনক্রিট, ইনডেক্স, রেডিয়াম, অপ্টিমাম, শুভেচ্ছা, সাকসেস কোচিং সেন্টার
৪. ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান:
ইসলামী ব্যাঙ্ক লিমিটেড, ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড
৫. ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি:
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কো. লি., ইসলামী ইন্সুরেন্স কো. লি., তাকাফুল ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স
৬. ডেভেলাপারঃ
মিশন ডেভেলাপারস, সোনারগাঁ হাউজিং, সিলভার ভিলেজ হাউজিং, ইনটিমেট হাউজিং, লালমাটিয়া হাউজিং, কোরাল রীফ, এস.এ.এফ,এম.ডি.সি গ্রুপ, কেয়ারী, ওয়ান সিটি, পিংক সিটি, আবাসন সিটি।
৭. বাস সার্ভিসঃ পাঞ্জেরী, আবাবিল
৮. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি(আইআইইউসি), এশিয়ান ইউনিভার্সিটি,সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, গ্রীন ইউনিভার্সিটি, ইসলামী ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজ, লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন, ইসলামী ব্যাঙ্কের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এবং অসংখ্য আলীয়া ও কওমী মাদ্রাসা
৯. সংবাদপত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়া দিগন্ত, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা।
১০. টিভি চ্যানেলঃ দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি
১১. হাসপাতালঃ
ইসলামী ব্যাঙ্ক হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, আল-রাজি হাসপাতাল, আদ দ্বীন হাসপাতাল, ইবনে সিনা, ফুয়াদ আল খতিব মেডিকেল ট্রাষ্ট
১২. ফার্মাসিউটিক্যালঃ
ক. ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
খ. বায়োফার্মা ল্যাবোরেটরীজ লিমিটেড, কেয়ারী সিন্দাবাদ
১৩. ইন্টারনেট ব্লগঃ সোনার বাংলা ব্লগ।
১. সাংস্কৃতিক সংগঠন:
ক. সাহিত্য পরিষদ:
বাংলা সাহিত্য পরিষদ, পল্টন সাহিত্য পরিষদ, চত্বর সাহিত্য পরিষদ, কিশোর কলম সাহিত্য পরিষদ, ফুলকুঁড়ি সাহিত্য পরিষদ, নতুন কলম সাহিত্য পরিষদ, আল হেরা সাহিত্য পরিষদ, সংগ্রাম সাহিত্য পরিষদ, ইসলামী সাহিত্য পরিষদ, কানামাছি সাহিত্য পরিষদ, অনুশীলন সাহিত্য পরিষদ, স্পন্দন সাহিত্য পরিষদ,
খ. সাহিত্য সংসদ:
উচ্ছ্বাস সাহিত্য সংসদ, মাস্তুল সাহিত্য সংসদ, কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য সংসদ,
গ. সাহিত্য একাডেমী:
শীলন সাহিত্য একাডেমী
ঘ. একাডেমী:
মৃত্তিকা একাডেমী, দাবানল একাডেমী
ঙ. সাংস্কৃতিক পরিষদ:
স্বদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ, ফররুখ পরিষদ
চ. সংসদ
সম্মিলিত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংসদ, কবি সংসদ বাংলাদেশ, মওদুদী রিসার্চ সংসদ,
চ. ফাউন্ডেশন:
প্রতিভা ফাউন্ডেশন, শহীদ মালেক ফাউন্ডেশন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন,
ছ. বিবিধ:
সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, পারফর্মিং আর্ট সেন্টার, বিপরীত উচ্চারণ, সৃজন চিন্তন, হিলফুল ফুজুল, সিএনসি, উত্সঙ্গ, বাংলাদেশ সাহিত্য কেন্দ্র নামক ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী (বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুকরণে)
২. প্রকাশনী:
আধুনিক প্রকাশনী, কিশোর কণ্ঠ প্রকাশনী, ফুলকুঁড়ি প্রকাশনী, আল্পনা প্রকাশনী, আল কোরআন প্রকাশনী,
প্রীতি প্রকাশন, সাজ প্রকাশন, সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স, মিজান পাবলিকেশন্স, মদিনা পাবলিকেশন্স, গণিত ফাউন্ডেশন, প্রফেসর’স, কারেন্ট নিউজ, প্ররফেসরস গাইড,সাহিত্যকাল, নবাঙ্কুর, সাহিত্যশিল্প, শিল্পকোণ, আযান, অনুশীলন, ফুলকলি, দিগন্ত, পাঞ্জেরী, Youth wave, পৃথিবী, ইষ্টিকুটুম, সৌরভ
৩. কোচিং সেন্টার:
রেটিনা, ফোকাস, প্রবাহ, কনক্রিট, ইনডেক্স, রেডিয়াম, অপ্টিমাম, শুভেচ্ছা, সাকসেস কোচিং সেন্টার
৪. ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান:
ইসলামী ব্যাঙ্ক লিমিটেড, ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড
৫. ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি:
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কো. লি., ইসলামী ইন্সুরেন্স কো. লি., তাকাফুল ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স
৬. ডেভেলাপারঃ
মিশন ডেভেলাপারস, সোনারগাঁ হাউজিং, সিলভার ভিলেজ হাউজিং, ইনটিমেট হাউজিং, লালমাটিয়া হাউজিং, কোরাল রীফ, এস.এ.এফ,এম.ডি.সি গ্রুপ, কেয়ারী, ওয়ান সিটি, পিংক সিটি, আবাসন সিটি।
৭. বাস সার্ভিসঃ পাঞ্জেরী, আবাবিল
৮. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি(আইআইইউসি), এশিয়ান ইউনিভার্সিটি,সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, গ্রীন ইউনিভার্সিটি, ইসলামী ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজ, লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন, ইসলামী ব্যাঙ্কের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এবং অসংখ্য আলীয়া ও কওমী মাদ্রাসা
৯. সংবাদপত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়া দিগন্ত, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা।
১০. টিভি চ্যানেলঃ দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি
১১. হাসপাতালঃ
ইসলামী ব্যাঙ্ক হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, আল-রাজি হাসপাতাল, আদ দ্বীন হাসপাতাল, ইবনে সিনা, ফুয়াদ আল খতিব মেডিকেল ট্রাষ্ট
১২. ফার্মাসিউটিক্যালঃ
ক. ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
খ. বায়োফার্মা ল্যাবোরেটরীজ লিমিটেড, কেয়ারী সিন্দাবাদ
১৩. ইন্টারনেট ব্লগঃ সোনার বাংলা ব্লগ।
জামাত-শিবিরের ধর্মের নামে স্বার্থের লড়াই
এটা জামাত-শিবিরের ধর্ম যুদ্ধ না । এটা জামাত-শিবিরের স্বার্থের লড়াই ।
এটা আমাদের ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন । যারা ৭১ এ ধর্মের নামে খুন, ধর্ষণ, লুট, অগ্নিসংযোগ করেছিল তাদের বিরুদ্ধে । যদি এই ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ধর্ম যুদ্ধ হয় , তাহলে আমি সেই যুদ্ধের একজন সৈনিক।
এই জামাত-শিবির ৭১ এ ইসলামকে ব্যাবহার করে যেমন ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল , তেমনি এখনও ইসলামকে বিকৃত করে এই চক্রটি আবার ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে ।
জামাত-শিবির বলে , “যারা জামাত- শিবিরের বিপক্ষে তারা সবাই নাস্তিক” ।
এই যদি হয় জামাত-শিবিরের ইসলাম , তবে আমি সে ইসলামের নই । জামাত- শিবির ইসলামকে বিকৃত করছে ।
সকল মুসলমান ভাই- বোনদের আহ্বান জানাচ্ছি , জামাত-শিবিরের অপপ্রচার থেকে নিজেকে ও ইসলামকে রক্ষা করতে । জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করলেই একমাত্র মুক্তি ইসলামের এ বাংলায় । নইলে ইসলামের নামে অনেক রক্তপাত হবে এ বাংলায় ।
আমার ইসলাম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম, সৌম্যার ধর্ম । আমার ইসলাম সকল মুসলমানদের জন্য সমান অধিকার রাখে । আমার ইসলাম অমুসলিমকে খুন, ধর্ষণ বা ঘৃণা করতে বলে না ।
এটা ধর্ম যুদ্ধ নয়
এটা ধর্ম যুদ্ধ নয় ।
এটা ৭১ এর রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ।
এই আন্দোলন জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের আন্দোলন ।
এই যুদ্ধে যার শরিক না হয়ে একে বিতর্কিত করতে চান , তারা ২০১৩ এর রাজাকার ।
প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন কোন রাজনৈতিক আন্দোলন নয় ।
এটা এই প্রজন্মের সকল জনগনের আন্দোলন ।
এই আন্দোলনের কেউ এম-পি হতেবা রাজনৈতিক কোন ফায়দা নিতে চায় না ।
রাজনীতিবিদরা এই আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিন ।
গোলাম আযমের নাগরিকত্ব
গোলাম আযমের নাগরিকত্বঃ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া
১৯৭৬ সালের ১১ জুলাই বাংলাদেশে পা রেখেছিলেন গোলাম আযম। মায়ের অসুস্থতার কথা বলে তিন মাসের ভিসা এবং পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে এলেও আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে সেই তখন থেকেই থেকে গেছেন বাংলাদেশে। ১৯৭৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত অঘোষিতভাবে ছিলেন জামায়াতের আমির। কিন্তু '৯২ সালে জামায়াতের সম্মেলনে সরাসরি আমির হিসেবে নির্বাচিত হলে সর্বমহলে বিতর্কের ঝড় ওঠে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালের ২১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত গোলাম আযমসহ ৩৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে সরকার। '৭৬ সালের ১১ জুলাই গোলাম আযম পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশে পা রেখেই প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির কোনো লোক কাউকে হত্যা করেছে বলেও আমার জানা নেই। নিজেকে বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হিসেবে দাবি করেন ।
তিন মাসের ভিসা নিয়ে আসা গোলাম আযম '৭৯ সালের মে মাসে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন আইডিএলের ব্যানারে। '৭৬ সালে সরকার ঘোষণা করেন যে, পূর্ববর্তী সরকার যাদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করেছে তারা এখন সরাসরি স্বরাষ্ট্র সচিবের বরাবরে নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তখন গোলাম আযম পাকিস্তানি পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের আবেদনও করেন। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে হ্যাঁ বা না কোনো নীতিই অনুসরণ করেনি। '৭৮ সালের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন গোলাম আযম লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে এক আবেদনে লিখেন, আমার পক্ষে দেশ থেকে চলে যাওয়া সম্ভব নয়। এর জবাব আমি সরকারের কাছ থেকে পাইনি।' '৮৬ সালের মে মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব বহাল করার জন্য সুপারিশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। গোলাম আযমের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী তিনি '৭৭ সালের জানুয়ারিতে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। '৭৮ সালেও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে আবারও দরখাস্ত করেন।
'৭৬ সালের ২৩ জুলাই রাজনৈতিক দলবিধি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং '৭৭ সালের ১৬ মে সংবিধানে ইসলামী নীতিমালা সংযোজনকেও তিনি স্বাগত জানান। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির '৭২ সালের ৮ নম্বর আদেশ বাতিল সাম্প্রদায়িক রাজনীতি পুনর্বাসিত হলে তিনি আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এদিকে '৯৩ সালের ২২ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চে বিচারপতি আনোয়ারুল হক চৌধুরী গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন। ২৫ এপ্রিল গোলাম আযমের নাগরিকত্ব মামলায় হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার জন্য আপিল বিভাগে ১টি আবেদনপত্র পেশ করা হয়। ১৯৯৩ সালের ২৪ জুলাই গোলাম আযমের আটকাদেশ সুপ্রিমকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন।
১৯৭৬ সালের ১১ জুলাই বাংলাদেশে পা রেখেছিলেন গোলাম আযম। মায়ের অসুস্থতার কথা বলে তিন মাসের ভিসা এবং পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে এলেও আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে সেই তখন থেকেই থেকে গেছেন বাংলাদেশে। ১৯৭৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত অঘোষিতভাবে ছিলেন জামায়াতের আমির। কিন্তু '৯২ সালে জামায়াতের সম্মেলনে সরাসরি আমির হিসেবে নির্বাচিত হলে সর্বমহলে বিতর্কের ঝড় ওঠে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালের ২১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত গোলাম আযমসহ ৩৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে সরকার। '৭৬ সালের ১১ জুলাই গোলাম আযম পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশে পা রেখেই প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির কোনো লোক কাউকে হত্যা করেছে বলেও আমার জানা নেই। নিজেকে বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হিসেবে দাবি করেন ।
তিন মাসের ভিসা নিয়ে আসা গোলাম আযম '৭৯ সালের মে মাসে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন আইডিএলের ব্যানারে। '৭৬ সালে সরকার ঘোষণা করেন যে, পূর্ববর্তী সরকার যাদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করেছে তারা এখন সরাসরি স্বরাষ্ট্র সচিবের বরাবরে নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তখন গোলাম আযম পাকিস্তানি পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের আবেদনও করেন। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে হ্যাঁ বা না কোনো নীতিই অনুসরণ করেনি। '৭৮ সালের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন গোলাম আযম লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে এক আবেদনে লিখেন, আমার পক্ষে দেশ থেকে চলে যাওয়া সম্ভব নয়। এর জবাব আমি সরকারের কাছ থেকে পাইনি।' '৮৬ সালের মে মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব বহাল করার জন্য সুপারিশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। গোলাম আযমের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী তিনি '৭৭ সালের জানুয়ারিতে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। '৭৮ সালেও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে আবারও দরখাস্ত করেন।
'৭৬ সালের ২৩ জুলাই রাজনৈতিক দলবিধি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং '৭৭ সালের ১৬ মে সংবিধানে ইসলামী নীতিমালা সংযোজনকেও তিনি স্বাগত জানান। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির '৭২ সালের ৮ নম্বর আদেশ বাতিল সাম্প্রদায়িক রাজনীতি পুনর্বাসিত হলে তিনি আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এদিকে '৯৩ সালের ২২ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চে বিচারপতি আনোয়ারুল হক চৌধুরী গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন। ২৫ এপ্রিল গোলাম আযমের নাগরিকত্ব মামলায় হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার জন্য আপিল বিভাগে ১টি আবেদনপত্র পেশ করা হয়। ১৯৯৩ সালের ২৪ জুলাই গোলাম আযমের আটকাদেশ সুপ্রিমকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন।
যুদ্ধাপরাধ ও জামায়াতের বিচারের বিধান রেখে বিল পাস
যুদ্ধাপরাধ: জামায়াতের বিচারের বিধান রেখে বিল পাস
যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পাশাপাশি জামায়াতসহ জড়িত সংগঠনগুলোর বিচারের বিধান রেখে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস)(অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০১৩’ সংসদে পাস হয়েছে।
এর ফলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে জড়িত সংগঠন হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচার করা যাবে।
রোববার বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন সংগঠনের বিচারের বিধান যুক্ত করার জন্য সংশোধনী প্রস্তাব দেন। পরে সেটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়।
এই বিলে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে কোনো সংশোধনী আনা হয়নি। এছাড়া জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোরও কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন। বিলটি পাসের পর সংসদে উপস্থিত সকল সদস্য টেবিল চাপড়ে বেশ কিছুক্ষণ উচ্ছাস প্রকাশ করেন।
সংশোধনী প্রস্তাব আনার পর আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ তার সংশোধনী প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন। এসময় স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট আইনমন্ত্রীকে সংবিধানের ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদ স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “সংবিধানেও সংঠনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।”
সংবিধানের ৪৭ (৩) এ বলা হয়েছে, “এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারিতে সোপর্দ কিংবা দণ্ড দান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসামঞ্জস্য বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনি বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না ।”
মেনন তার প্রথম সংশোধনীতে ৩(১) উপধারায় individuals শব্দ ও কমার পর or organization শব্দগুলো সংশোধন করার কথা বলেছেন।
আইন মন্ত্রী মেননের সংশোধনী প্রস্তাবের জবাবে বলেন, “দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর নাৎসী পার্টিকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিলো। মাননীয় সংসদ সদস্য যে সংশোধনী প্রস্তাব রেখেছেন তা গ্রহণ করা যায়।
বিলটি রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর গেজেট প্রকাশ হলে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবনুালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশসহ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী সকল সংগঠনের বিচার করা যাবে।
বিলে মানবতাবিরোধী অপরাধের যেকোনো রায়ের বিরুদ্ধে সরকার, বাদী ও বিবাদীর আপিল করার সুযোগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, আপিল করার ৬০ দিনের মধ্যে এর কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে।
রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ সমাবেশে চলমান আন্দোলনের মুখে ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, এই আইন ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে ধরা হবে।
গত বুধবার বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। পরে এটি পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার সংসদে বিলের রিপোর্ট উত্থাপন করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বী মিয়া।
সংসদে উত্থাপিত বিলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার, দণ্ডিত ব্যক্তি ও যেকোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে সংসদীয় কমিটি সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিলের সুযোগ রাখার বিধান বাতিল করে সরকারপক্ষ, বাদী ও বিবাদীপক্ষের আপিলের সুযোগ রেখে প্রতিবেদন তৈরি করে। এছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে বলে পাস হওয়া বিলে বলা আছে।
সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা ছিলো ৪৫ দিনের মধ্যে আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে আরো ১৫ দিন পর্যন্ত এ সময় বাড়ানো যাবে। তবে সংসদীয় কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী ৪৫ দিন ও ১৫ দিনের বিভাজন বাদ দিয়ে একবারে ৬০ দিনের বিধান রাখা হয়েছে।
পাস হওয়া বিলে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট) সম্পর্কে বলা না থাকলেও, সংসদীয় কমিটি এ বিধান রাখার প্রস্তাব দেয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব নাগরিকের আইনের সমান আশ্রয় লাভের যে অধিকার দেওয়া হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ক্ষেত্রে ২১(২) ধারায় তা প্রতিফলিত হয়নি। সে জন্য ট্রাইব্যুনালের বিচারের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আইনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ কারণেই ২১(২) ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের জন্য ২১(১) উপধারায় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত বিচার লাভের অধিকারী। তাই সংশোধনীতে আপিল নিষ্পত্তির মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ সমাবেশে চলমান আন্দোলনের মুখে ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, এই আইন ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে ধরা হবে।
গত বুধবার বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। পরে এটি পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার সংসদে বিলের রিপোর্ট উত্থাপন করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বী মিয়া।
সংসদে উত্থাপিত বিলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার, দণ্ডিত ব্যক্তি ও যেকোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে সংসদীয় কমিটি সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিলের সুযোগ রাখার বিধান বাতিল করে সরকারপক্ষ, বাদী ও বিবাদীপক্ষের আপিলের সুযোগ রেখে প্রতিবেদন তৈরি করে। এছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে বলে পাস হওয়া বিলে বলা আছে।
সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা ছিলো ৪৫ দিনের মধ্যে আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে আরো ১৫ দিন পর্যন্ত এ সময় বাড়ানো যাবে। তবে সংসদীয় কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী ৪৫ দিন ও ১৫ দিনের বিভাজন বাদ দিয়ে একবারে ৬০ দিনের বিধান রাখা হয়েছে।
পাস হওয়া বিলে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট) সম্পর্কে বলা না থাকলেও, সংসদীয় কমিটি এ বিধান রাখার প্রস্তাব দেয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব নাগরিকের আইনের সমান আশ্রয় লাভের যে অধিকার দেওয়া হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ক্ষেত্রে ২১(২) ধারায় তা প্রতিফলিত হয়নি। সে জন্য ট্রাইব্যুনালের বিচারের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আইনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ কারণেই ২১(২) ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের জন্য ২১(১) উপধারায় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত বিচার লাভের অধিকারী। তাই সংশোধনীতে আপিল নিষ্পত্তির মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার
৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আলবদর, আল-সামস যখন আমাদের খুন করেছিল, আমার মা- বোনকে ধর্ষণ করেছিল, বারি-ঘর, হাট-বাজার জ্বালিয়ে দিয়েছিল তখন মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় নাই ।
৭৫ এ বঙ্গবন্ধু সহ তার পরিবারের সকল সদস্যদের নির্মমভাবে খুন করা হল , তখন মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় নাই ।
৭১ এ যে ৩০ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হলেন, ২ লক্ষ মা- বোন ইজ্জত হারালেন তাদের ব্যাপারে তো মানবাধিকার সংস্থা কোন কথা বলে নাই । এমন কি জামাত- শিবির যখন আমার ভাইদের হাত-পা এর রগ কেটে দিল ও আমাদের ভাইদের গুলি করে, বোমা ফাটিয়ে মারল তখন তো দেখি নাই কোন কথা বলতে ।
আজ যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করে ফাঁসির দাবি তোলা হচ্ছে ও ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে , তখন মানবাধিকার সংস্থা চিৎকার করে বলছে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে ।
এই যদি হয় মানবাধিকার সংস্থার কার্যক্রম তাহলে আমাকে বলতেই হচ্ছে , এই সংস্থাটি বাজে সংস্থা । এরা মানবাধিকার বুঝে না । এই সংস্থার সব কার্যক্রম অর্থ( উৎকোচ) নির্ভর ।
এবারের সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি দেওয়ার সংগ্রাম ।
এবারের সংগ্রাম জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সংগ্রাম ।
এবারের সংগ্রাম জামাত- শিবিরের সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের সংগ্রাম ।
৯ মাসের যুদ্ধে আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম ।
হাড়িয়ে ছিলাম ৩০ লক্ষ ভাই ও ২ লক্ষ মা- বোনের ইজ্জত ।
এবারের জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে যদি ৯ বৎসর লাগে তবুও আমরা প্রস্তুত আছি । এ বাংলায় স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির কোন স্থান হবে না ।
৯ মাসের যুদ্ধে আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম ।
হাড়িয়ে ছিলাম ৩০ লক্ষ ভাই ও ২ লক্ষ মা- বোনের ইজ্জত ।
এবারের জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে যদি ৯ বৎসর লাগে তবুও আমরা প্রস্তুত আছি । এ বাংলায় স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির কোন স্থান হবে না ।
জামাতে ইসলামের রাজনীতি আর ইসলাম
জামাতে ইসলামের রাজনীতি আর ইসলাম এক না ।
এটা ধর্ম যুদ্ধ না, বা ধর্মের সাথে বিরোধ না । এ যুদ্ধ “ যারা ৭১ এ মানুষ হত্যা করেছে, ধর্ষন করেছে, লুট করেছে, স্বাধীনতাকামী মানুষদের নিজের ঘর হতে বিতাড়িত করেছে, জোর পূর্বক ধর্মান্তরিত করেছে” , তাদের বিরুদ্ধে”
বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রে যারা রাজনীতি করবে, তাদের সবাইকে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হতে হবে। কেউ সরকারি দল হবে, কেউ বিরোধী দল। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী কোনও দল থাকতে পারবে না।
৭১ এ জামাত- শিবির ( ইসলামি ছাত্র সংঘ ) প্রকাশ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধের ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল । তাই জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল । কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতার লোভে বহু দলীয় গণতন্ত্রের নামে জামতকে প্রতিষ্ঠা করেছিল ও দালাল আইন বাতিল করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক কার্যক্রম বিলম্বিত করে দিয়েছিল । যার ধারাবাহিকতায় জামাত এখন বিএনপির ঘরোয়ানা ।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে দেশ যখন সোচ্চার , বিএনপি তখন একে নাটক বলে অভিহিত করছে । বিএনপি বলছে , জামাতকে তাদের কাছ থেকে সরিয়ে দিতেই নাকি এই নাটক । হায়রে ক্ষমতা , হায়রে লোভ ।
আওয়ামীলীগ ও বর্তমান সরকার
আওয়ামীলীগ ও বর্তমান সরকারকে বলছিঃ
আর কত জনগণ আসলে আপনারা বুঝবেন এটা জনমত ?
আর কতদিন প্রজন্ম চত্বরে থাকলে বুঝবেন জনমত পেয়েছেন ?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলায় জনগন আনাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে ।
মনে রাখবেন , জনগনের এই দাবি পুরন না করলে আপনারা চলে যাবেন তলানিতে ।
প্রজন্ম চত্বরের ভাষা যদি বুঝে থাকেন , জামাত- শিবিরের রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেন ।
প্রজন্ম চত্বর ও বিএনপি
প্রজন্ম চত্বর নিয়ে জামাতের চেয়ে বিএনপির কষ্ঠ বেশি ।
বিএনপি প্রথম থেকেই বলছে এটা সরকারের নাটক ।
তাহলে বিএনপি এখন কেন আবার সমর্থন দিল ? কিসের আশায় ?
বিএনপির নেতা ও তেনারা ফেইসবুক থেকে শুরু করে সব জায়গাই এখনও প্রজন্ম চত্বরকে নিয়া বাজে বাজে Post দিচ্ছে ।
বিএনপি কেন ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দিয়ে জাতিসংঘের কাছে যেতে চায় ?
বিএনপির সমর্থকরা কি জামাত- শিবির ছাড়া চলতে পারে না বা পারছে না ?
বিএনপি কি জামাত- শিবির ছাড়া রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে ?
বিএনপি কি জামাত- শিবিরের কাছ থেকে অনেক অনেক টাকা নিয়েছে ?
বিএনপি কি জামাত- শিবিরের কাছে তাদের রাজনীতি জমা দিয়ে দিয়েছে ?
তিন মিনিটের জন্য থমকে গেল সারাদেশ
তিন মিনিটের জন্য থমকে গেল সারাদেশ, প্রজন্মের ডাকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবির প্রতি সংহতি জানালো জাতিঃ ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৩ |
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগ চত্বরের তরুণ প্রজন্মের আহবানে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে তিন মিনিটের জন্য থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। তরুণ প্রজন্মের আহ্বানে অভূতপূর্ব এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে গেল যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণের অনুভূতি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে আবারো জানান দিল তারা যুদ্ধাপরাধিদের ফাঁসি চায়।
ঠিক বিকেল চারটার এই দৃশ্য ছিল অভূতপূর্ব। মাত্র তিন মিনিটের জন্য রাস্তায় নীরবে দাঁড়িয়ে গেল গোটা দেশের মানুষ। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তারা জানিয়ে দিল যুদ্ধাপরাধের গ্লানি থেকে তারা মুক্তি চায়। তারা চায় এদেশের ঘৃন্য যুদ্ধাপরাধিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।
এসময় শাহবাগ চত্বরে তরুণ প্রজন্মের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরাও।
ঢাকা মহানগর ১৪ দল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, মন্ত্রিসভার সদস্যরা সচিবালয়ে, সংসদ সদস্যরা সংসদ চত্বরে, গার্মেন্টস শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিকরা, শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে ও কারওয়ানবাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই কর্মসূচিতে শামিল হন।
এছাড়া ব্যাংক-বীমা, সরকারি অফিস-আদালত যে যেখানে ছিলেন সেখানেই যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন মিনিট দাঁড়িয়ে তাদের সংহতি প্রকাশ করেন। এমন কি সাধারণ পথচারীরাও হাঁটা থামিয়ে দিয়ে পথেই দাঁড়িয়ে যান। এভাবেই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন মিনিটের জন্য স্থির হয়ে গিয়েছিল পুরো দেশ।
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগ চত্বরের তরুণ প্রজন্মের আহবানে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে তিন মিনিটের জন্য থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। তরুণ প্রজন্মের আহ্বানে অভূতপূর্ব এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে গেল যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণের অনুভূতি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে আবারো জানান দিল তারা যুদ্ধাপরাধিদের ফাঁসি চায়।
ঠিক বিকেল চারটার এই দৃশ্য ছিল অভূতপূর্ব। মাত্র তিন মিনিটের জন্য রাস্তায় নীরবে দাঁড়িয়ে গেল গোটা দেশের মানুষ। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তারা জানিয়ে দিল যুদ্ধাপরাধের গ্লানি থেকে তারা মুক্তি চায়। তারা চায় এদেশের ঘৃন্য যুদ্ধাপরাধিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।
এসময় শাহবাগ চত্বরে তরুণ প্রজন্মের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরাও।
ঢাকা মহানগর ১৪ দল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, মন্ত্রিসভার সদস্যরা সচিবালয়ে, সংসদ সদস্যরা সংসদ চত্বরে, গার্মেন্টস শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিকরা, শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে ও কারওয়ানবাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই কর্মসূচিতে শামিল হন।
এছাড়া ব্যাংক-বীমা, সরকারি অফিস-আদালত যে যেখানে ছিলেন সেখানেই যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন মিনিট দাঁড়িয়ে তাদের সংহতি প্রকাশ করেন। এমন কি সাধারণ পথচারীরাও হাঁটা থামিয়ে দিয়ে পথেই দাঁড়িয়ে যান। এভাবেই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন মিনিটের জন্য স্থির হয়ে গিয়েছিল পুরো দেশ।
ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বহিষ্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেন
বহিষ্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শেষঃ
ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বহিষ্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শেষ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তার বিরুদ্ধে আখাউড়ায় ৩৩ জনের গণহত্যা, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ৩ জনকে হত্যাসহ অপহরণ, আটক ও নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। বুধবার বিকেলে বেইলি রোডের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত সংস্থার সহ-সমন্বয়ক সানাউল হক জানান, মোবারকের বিরুদ্ধে ছয় মাস তদন্ত শেষে ২৯৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তারা চুড়ান্ত করেছেন।
জামায়াত-শিবিরের অর্থায়ন-উৎসগুলো
আসুন, জামায়াত-শিবিরের অর্থায়ন-উৎসগুলোকে বর্জন করি।
ওদের সামাজিক ও আর্থিকভাবে বর্জন করি ।
১. সাংস্কৃতিক সংগঠন:
ক. সাহিত্য পরিষদ:
বাংলা সাহিত্য পরিষদ, পল্টন সাহিত্য পরিষদ, চত্বর সাহিত্য পরিষদ, কিশোর কলম সাহিত্য পরিষদ, ফুলকুঁড়ি সাহিত্য পরিষদ, নতুন কলম সাহিত্য পরিষদ, আল হেরা সাহিত্য পরিষদ, সংগ্রাম সাহিত্য পরিষদ, ইসলামী সাহিত্য পরিষদ, কানামাছি সাহিত্য পরিষদ, অনুশীলন সাহিত্য পরিষদ, স্পন্দন সাহিত্য পরিষদ,
খ. সাহিত্য সংসদ:
উচ্ছ্বাস সাহিত্য সংসদ, মাস্তুল সাহিত্য সংসদ, কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য সংসদ,
গ. সাহিত্য একাডেমী:
শীলন সাহিত্য একাডেমী
ঘ. একাডেমী:
মৃত্তিকা একাডেমী, দাবানল একাডেমী
ঙ. সাংস্কৃতিক পরিষদ:
স্বদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ, ফররুখ পরিষদ
চ. সংসদ
সম্মিলিত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংসদ, কবি সংসদ বাংলাদেশ, মওদুদী রিসার্চ সংসদ,
চ. ফাউন্ডেশন:
প্রতিভা ফাউন্ডেশন, শহীদ মালেক ফাউন্ডেশন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন,
ছ. বিবিধ:
সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, পারফর্মিং আর্ট সেন্টার, বিপরীত উচ্চারণ, সৃজন চিন্তন, হিলফুল ফুজুল, সিএনসি, উত্সঙ্গ, বাংলাদেশ সাহিত্য কেন্দ্র নামক ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী (বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুকরণে)
২. প্রকাশনী:
আধুনিক প্রকাশনী, কিশোর কণ্ঠ প্রকাশনী, ফুলকুঁড়ি প্রকাশনী, আল্পনা প্রকাশনী, আল কোরআন প্রকাশনী,
প্রীতি প্রকাশন, সাজ প্রকাশন, সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স, মিজান পাবলিকেশন্স, মদিনা পাবলিকেশন্স, গণিত ফাউন্ডেশন, প্রফেসর’স, কারেন্ট নিউজ, প্ররফেসরস গাইড,সাহিত্যকাল, নবাঙ্কুর, সাহিত্যশিল্প, শিল্পকোণ, আযান, অনুশীলন, ফুলকলি, দিগন্ত, পাঞ্জেরী, Youth wave, পৃথিবী, ইষ্টিকুটুম, সৌরভ
৩. কোচিং সেন্টার:
রেটিনা, ফোকাস, প্রবাহ, কনক্রিট, ইনডেক্স, রেডিয়াম, অপ্টিমাম, শুভেচ্ছা, সাকসেস কোচিং সেন্টার
৪. ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান: ইসলামী ব্যাঙ্ক লিমিটেড, ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড
৫. ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি: ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কো. লি., ইসলামী ইন্সুরেন্স কো. লি., তাকাফুল ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স
৬. ডেভেলাপারঃ
মিশন ডেভেলাপারস, সোনারগাঁ হাউজিং, সিলভার ভিলেজ হাউজিং, ইনটিমেট হাউজিং, লালমাটিয়া হাউজিং, কোরাল রীফ, এস.এ.এফ,এম.ডি.সি গ্রুপ, কেয়ারী, ওয়ান সিটি, পিংক সিটি, আবাসন সিটি।
৭. বাস সার্ভিসঃ পাঞ্জেরী, আবাবিল
৮. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি(আইআইইউসি), এশিয়ান ইউনিভার্সিটি,সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, গ্রীন ইউনিভার্সিটি, ইসলামী ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজ, লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন, ইসলামী ব্যাঙ্কের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এবং অসংখ্য আলীয়া ও কওমী মাদ্রাসা
৯. সংবাদপত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়া দিগন্ত, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা।
১০. টিভি চ্যানেলঃ দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি
১১. হাসপাতালঃ
ইসলামী ব্যাঙ্ক হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, আল-রাজি হাসপাতাল, আদ দ্বীন হাসপাতাল, ইবনে সিনা, ফুয়াদ আল খতিব মেডিকেল ট্রাষ্ট
১২. ফার্মাসিউটিক্যালঃ
ক. ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
খ. বায়োফার্মা ল্যাবোরেটরীজ লিমিটেড, কেয়ারী সিন্দাবাদ
১৩. ইন্টারনেট ব্লগঃ সোনার বাংলা ব্লগ।
এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন
এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আপনাকে বলছিঃ
আপনি জাতীয় বেঈমান । রাজাকারদের এজেন্ট ।
খন্দকার মাহবুব হোসেন, মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায় । আপনি টাকার জন্য এতটাই বদলে গেলেন !!!
আপনি বলছেন বঙ্গবন্ধু সকলকেই ক্ষমা করে দিয়েছিলেন । তা হলে জিয়া সাহেব কোন দালাল আইন বাতিল করেছিলেন ?
"বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এ ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক আইনানুসারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি করেছেন।"
খন্দকার মাহবুব, পৃথিবীতে ৯ টি দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে । সকল দেশেই তাদের নিজস্ব আইনে বিচার করছে । আমরা কেন যাব জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বিচার করতে ?
বঙ্গবন্ধু ১৯৫ জন পাকিস্তানী সামরিক কর্মকর্তাকে ক্ষমা করেছিলেন সর্ত সাপেক্ষে ।
কিন্তু যারা হত্যা , ধর্ষণ, লুট ও অগ্নিসংযোগ করেছিল তাদের ক্ষমা করেন নাই ।
খন্দকার মাহবুব , আমাদের বিভ্রান্ত করবেন না । আমরা জানি কার কি অবস্থান ।
জাতি আপনাকে ক্ষমা করবে না ।
আপনি জাতীয় বেঈমান । রাজাকারদের এজেন্ট ।
খন্দকার মাহবুব হোসেন, মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায় । আপনি টাকার জন্য এতটাই বদলে গেলেন !!!
আপনি বলছেন বঙ্গবন্ধু সকলকেই ক্ষমা করে দিয়েছিলেন । তা হলে জিয়া সাহেব কোন দালাল আইন বাতিল করেছিলেন ?
"বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এ ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক আইনানুসারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি করেছেন।"
খন্দকার মাহবুব, পৃথিবীতে ৯ টি দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে । সকল দেশেই তাদের নিজস্ব আইনে বিচার করছে । আমরা কেন যাব জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বিচার করতে ?
বঙ্গবন্ধু ১৯৫ জন পাকিস্তানী সামরিক কর্মকর্তাকে ক্ষমা করেছিলেন সর্ত সাপেক্ষে ।
কিন্তু যারা হত্যা , ধর্ষণ, লুট ও অগ্নিসংযোগ করেছিল তাদের ক্ষমা করেন নাই ।
খন্দকার মাহবুব , আমাদের বিভ্রান্ত করবেন না । আমরা জানি কার কি অবস্থান ।
জাতি আপনাকে ক্ষমা করবে না ।
শওকত মাহমুদ
শওকত মাহমুদ আপনাকে বলছিঃ
আপনি নিজেকে সবজান্তা মনে করেন !
আপনি রাজাকারদের একজন দালাল ।
জনগন আপনার কথা বুঝে , আপনাকে সবাই পাগল ও রাজাকারের এজেন্ট হিসাবেই চিহ্নিত করেছে ।
চাপা মারা কমান , নইলে বাংলার জনগন আপনাকে ছাড়বে না ।
আপনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করবেন না ।
আপনার মত নষ্ট রাজনীতিবিদদের এ বাংলায় স্থান নাই ।
জামাতের টাকা খেয়েছেন ভাল কথা । আপনি বিএনপি ছেড়ে জামাতে যোগ দিন ।
দেখেন জনগন আপনাকে কেমন ধোলাই দেয় ।
অপেক্ষা করেন , দেখেন , আপনার মত পথভ্রষ্ট রাজনীতিবিদদের অবস্থান কোথায় হয় ।
আপনি নিজেকে সবজান্তা মনে করেন !
আপনি রাজাকারদের একজন দালাল ।
জনগন আপনার কথা বুঝে , আপনাকে সবাই পাগল ও রাজাকারের এজেন্ট হিসাবেই চিহ্নিত করেছে ।
চাপা মারা কমান , নইলে বাংলার জনগন আপনাকে ছাড়বে না ।
আপনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করবেন না ।
আপনার মত নষ্ট রাজনীতিবিদদের এ বাংলায় স্থান নাই ।
জামাতের টাকা খেয়েছেন ভাল কথা । আপনি বিএনপি ছেড়ে জামাতে যোগ দিন ।
দেখেন জনগন আপনাকে কেমন ধোলাই দেয় ।
অপেক্ষা করেন , দেখেন , আপনার মত পথভ্রষ্ট রাজনীতিবিদদের অবস্থান কোথায় হয় ।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আপনাকে বলছিঃ
৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের আপনার অবদানের কথা কেউ ভুলবে না ।
স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনার অবদানের জন্য জাতি আপনাকে সন্মানিত করেছে একজন জাতীয় বীর হিসাবে ।
কিন্তূ এখন এখন আপনি যা করছেন , তা কি আপনাকে মানায় ?
আপনি কিসের স্বার্থে দিগন্ত TV তে বসে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে ও শাহবাগের প্রজন্ম স্কয়ারের বিপক্ষে বেসামাল কথা বলছেন ।
আপনি মনে রাখবেন আপনার কথায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে না ।
আপনি যদি একজন মুক্তিযোদ্ধা না হতেন , জনগন আপনার নামের উপর থুথু দিত ।
এখনও সময় আছে , ফিরে আসুন ৭১ এর রুপে ।
নইলে জাতি আপনাকে ক্ষমা করবে না ।
৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের আপনার অবদানের কথা কেউ ভুলবে না ।
স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনার অবদানের জন্য জাতি আপনাকে সন্মানিত করেছে একজন জাতীয় বীর হিসাবে ।
কিন্তূ এখন এখন আপনি যা করছেন , তা কি আপনাকে মানায় ?
আপনি কিসের স্বার্থে দিগন্ত TV তে বসে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে ও শাহবাগের প্রজন্ম স্কয়ারের বিপক্ষে বেসামাল কথা বলছেন ।
আপনি মনে রাখবেন আপনার কথায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে না ।
আপনি যদি একজন মুক্তিযোদ্ধা না হতেন , জনগন আপনার নামের উপর থুথু দিত ।
এখনও সময় আছে , ফিরে আসুন ৭১ এর রুপে ।
নইলে জাতি আপনাকে ক্ষমা করবে না ।
মওদুদ , আপনি রাজনৈতিক বেশ্যা
মওদুদ , আপনাকে আমরা চিনি রাজনৈতিক বেশ্যা হিসাবে ।
আপনি কার কার স্বার্থে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতিসঙ্গের আদালতে হওয়ার কোথা বলছেন ?
আপনারা ( বেশ্যারা) , শাহবাগের এই গন জাগরন দেখে বুঝতে পারছেন না । জনগন আপনাদের ঘৃণা করছে ।
আপনাদের ( বেশ্যারা) , জনগন রাজনৈতিক দেওলিয়া হিসাবে চিহ্নিত করছে ।
কার জন্য , কিসের জন্য ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান ?
আমরা আপনাদের ক্ষমা করবো না ।
আজকের শাহবাগের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য আপনাদেরও বিচার করা হবে জনতার আদালতে ।
প্রস্তুত থাকুন , ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না ।
আপনি কার কার স্বার্থে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতিসঙ্গের আদালতে হওয়ার কোথা বলছেন ?
আপনারা ( বেশ্যারা) , শাহবাগের এই গন জাগরন দেখে বুঝতে পারছেন না । জনগন আপনাদের ঘৃণা করছে ।
আপনাদের ( বেশ্যারা) , জনগন রাজনৈতিক দেওলিয়া হিসাবে চিহ্নিত করছে ।
কার জন্য , কিসের জন্য ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান ?
আমরা আপনাদের ক্ষমা করবো না ।
আজকের শাহবাগের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য আপনাদেরও বিচার করা হবে জনতার আদালতে ।
প্রস্তুত থাকুন , ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না ।
মানি না এ রায়
আমি মানি না এ রায় । আমাদের কি বলদ মনে করেছেন মাননীয় আদালত ।
৫ টি অপরাধ নিঃসন্দেহাতিত ভাবে প্রমান হওয়ার পরেও কাদের কসাইয়ের সাজা হইল যাবজ্জীবন ।
কতগুলি খুন , ধর্ষণ , অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠন করলে ফাঁসি হবে জানতে চাই ।
আদালত অবমাননা হবে কি হবে না এই নিয়া আমার কোন মাথা বেথা নাই ।
যে ৫ টি অপরাধ নিঃসন্দেহে প্রমান হয়েছেঃ
১। কবি মেহেরুন্নেছাসহ বুদ্ধিজীবী হত্যা,
২। পল্লবীর আলোকদি গ্রামে ৩৪৪ জনকে হত্যা,
৩। আইনজীবী-সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে হত্যা,
৪। বাংলা কলেজের ছাত্র পল্লবসহ সাত জনকে হত্যা,
৫। কেরাণীগঞ্জের শহীদনগর গ্রামের ভাওয়াল খান বাড়ি ও ঘাটারচরসহ পাশের আরো দু’টি গ্রামের অসংখ্য লোককে হত্যার ঘটনা।''
যে ৫ টি অপরাধ নিঃসন্দেহে প্রমান হয়েছেঃ
১। কবি মেহেরুন্নেছাসহ বুদ্ধিজীবী হত্যা,
২। পল্লবীর আলোকদি গ্রামে ৩৪৪ জনকে হত্যা,
৩। আইনজীবী-সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে হত্যা,
৪। বাংলা কলেজের ছাত্র পল্লবসহ সাত জনকে হত্যা,
৫। কেরাণীগঞ্জের শহীদনগর গ্রামের ভাওয়াল খান বাড়ি ও ঘাটারচরসহ পাশের আরো দু’টি গ্রামের অসংখ্য লোককে হত্যার ঘটনা।''
ফরহাদ মাজহার আপনাকে বলছি
ফরহাদ মাজহার আপনাকে বলছি:
আপনি কবিতা লেখেন , আপনি কবি । রাজনীতি নিয়ে নাড়াচাড়া করা আপনার কাজ না ।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার স্বচ্ছ কি অস্বচ্ছ , ৪০ বৎসর পর কেন বিচার হচ্ছে , এ নিয়ে আপনার কথা বলায় মানায় না ।
আপনি কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোন কবিতা লিখেছেন বা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন ?
আপনি কোন যুক্তিতে বা কিসের বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কথা বলছেন , জাতি জানতে চায় আপনার কাছে ।
আপনি কবিতা লেখেন , আপনি কবি । রাজনীতি নিয়ে নাড়াচাড়া করা আপনার কাজ না ।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার স্বচ্ছ কি অস্বচ্ছ , ৪০ বৎসর পর কেন বিচার হচ্ছে , এ নিয়ে আপনার কথা বলায় মানায় না ।
আপনি কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোন কবিতা লিখেছেন বা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন ?
আপনি কোন যুক্তিতে বা কিসের বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কথা বলছেন , জাতি জানতে চায় আপনার কাছে ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)